সরকারি সূত্র জানায়, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়।
ইরানি প্রতিনিধিদল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।