সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভাইদ জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া নথিপত্র ইসলামাবাদের মাধ্যমে তেহরানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে ইরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা চলছে।
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ আলোচনায় রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে ইরানের প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করবে পরবর্তী অগ্রগতির গতিপথ।