এছাড়া একই সময় গৌরারং ইউনিয়নের বৈটাখালি গ্রামের জমির হোসন বাড়ি থেকে বের হয়ে বৈটাখালি নদীঘাটে দোকান খুলতে যাওয়ার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে আহত হন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
এদিকে একই সময় হাওরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতের কবলে পড়ে জামালগঞ্জ উপজেলার রূপাবালী গ্রামের আবু ছালেক গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাঁকেও ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমান জানান আজ দুপুরে বজ্রপাতের ঘটনায় তিন এসেছেন তাদের সবাই মৃত। তারা সবাই হাসপাতাল পৌঁছার আগেই মারা গেছেন বলে জানান তিনি।
অপরদিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আরো ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিক মুহুর্তে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি ।
এদিকে বজ্রপাতের ঘটনায় নিহতের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেননা স্বজনরা। বজ্রপাতে এমন মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে হাওর এলাকায়। বৈরী আবহাওয়া ধান কাটতে গিয়ে মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়ছেন কৃষকেরা।