রোববার (১৯ জুলাই) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব শাহে আলম, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিটিভির মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিটিভির মাধ্যমে হওয়া ওই ১৪০ কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়ে বর্তমানে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পরবর্তী আইনি পর্যালোচনার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠানো হবে।
ফিফার কাছ থেকে এবার ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব কেনা হয়েছিল। চারটি গণমাধ্যমে খেলাটি সফলভাবে সম্প্রচার করা হয়েছে। পুরো আয়োজনে হয়তো ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে, যা বিজ্ঞাপনের আয় থেকে পুরোপুরি উঠে আসবে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও বর্তমান সরকারের খরচের একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ৩ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারে স্বত্ব কেনার পর বিশাল অঙ্কের দুর্নীতি হয়। এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল, খেলা দেখানোর ক্ষেত্রে কোনোভাবে জনগণের টাকা খরচ করা যাবে না।
মন্ত্রী বলেন, ফিফার কাছ থেকে এবার ৩ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব কেনা হয়েছিল। চারটি গণমাধ্যমে খেলাটি সফলভাবে সম্প্রচার করা হয়েছে। পুরো আয়োজনে হয়তো ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে, যা বিজ্ঞাপনের আয় থেকে পুরোপুরি উঠে আসবে। ফলে বলা যায়, এবার সরকারি খরচ প্রায় শূন্য।